
কক্সবাজার ও বান্দরবান এলাকায় তৎপর র্যাব–১৫ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল হাসানসহ তিন শতাধিক সদস্যকে একযোগে বদলি করা হয়েছে। ইয়াবা উদ্ধারে অনিয়ম, মামলায় কম দেখানো ও আর্থিক কেলেঙ্কারিসহ নানা অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
র্যাব মিডিয়া উইং বিষয়টিকে “নিয়মিত বদলি” দাবি করলেও সংস্থার একাধিক সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক দুটি বিতর্কিত অভিযানের তদন্তের পর সদর দপ্তর গণবদলির সিদ্ধান্ত কার্যকর করে।
গত ১৯ নভেম্বর দু’টি পৃথক প্রজ্ঞাপনে মোট প্রায় ৪০০ সদস্যকে বদলি করা হয়, পরে ২৭ নভেম্বর আরও ৭৪ জনকে স্থানান্তর করা হয়। বদলিকৃতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সদস্যই র্যাব–১৫ এ কর্মরত ছিলেন।
দীর্ঘদিন দায়িত্বে থাকা লে. কর্নেল কামরুল হাসানকে সদর দপ্তরে সংযুক্ত করে নতুন অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সেনাবাহিনীর লে. কর্নেল নেয়ামুল হালিম খানকে।
উখিয়া ও টেকনাফ এলাকায় র্যাব–১৫ এর সাম্প্রতিক দুটি অভিযানে ইয়াবা সংখ্যা কম দেখানো, টাকা আত্মসাৎ এবং জব্দতালিকায় প্রশ্নবিদ্ধ সামগ্রী দেখানো নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছিল। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই উচ্চপর্যায়ের তদন্ত দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
র্যাবের মিডিয়া উইং জানিয়েছে- কেউ অপরাধে জড়িত থাকলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তদন্ত অনুযায়ী দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি কার্যকর করা হবে।