June 3, 2026, 2:53 pm
শিরোনাম :
ঢাকা মোহাম্মদপুরে মা-মেয়েকে হত্যা: প্রধান আসামী গৃহকর্মী আয়েশা গ্রেপ্তার টেকনাফ রাজার ছড়া দারুত তাহ্ফিজ মাদ্রাসা: বার্ষিক শিক্ষা সফর ও আদর্শ হিফ্জ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাফল্য ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে পূর্ণ প্রস্তুতি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম শিক্ষার্থী সংখ্যা ও পাসের হারকে ভিত্তি করে নতুন এমপিও নীতিমালা ঘোষণা; শর্ত না মানলে বন্ধ হতে পারে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা উখিয়া-টেকনাফ রেঞ্জের ড্রাইভারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্য নিযুক্ত বন বিভাগে বেগম খালেদা জিয়ার লন্ডন যাত্রা স্থগিত, জার্মান এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায় আসছে না টেকনাফে আমতলী সমাজ উন্নয়ন ঐক্য পরিষদের ২৭তম মাহফিল উপলক্ষে দাওয়াত গ্রহণ করলেন পাকিস্তানের প্রখ্যাত আলেম মুফতি সাইয়্যিদ ফয়সাল নাদিম শাহ বিএনপি ও জামায়াতের ভোট ব্যবধান মাত্র ৪%, জরিপে প্রকাশ কক্সবাজারের সাবেক পিপি এডভোকেট ফরিদুল আলম ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন মোদির মানবিক বার্তা- খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা, পাশে থাকার আশ্বাস দিল ভারত

ঢাকা মোহাম্মদপুরে মা-মেয়েকে হত্যা: প্রধান আসামী গৃহকর্মী আয়েশা গ্রেপ্তার

Reporter Name

ঢাকা, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫:

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে শাহজাহান রোড এলাকায় মা–মেয়েকে হত্যা করার ঘটনায় প্রধান আসামী গৃহকর্মী আয়েশা কে ঝালকাঠি থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মোহাম্মদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা জানান, আজ বুধবার (১০ ডিসেম্বর) তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

ডিএমপি মিডিয়া বিভাগ থেকে জানানো হয়, মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গৃহকর্মী আয়েশাকে ঝালকাঠির তার স্বামীর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। তাকে ঢাকায় আনা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

 

ঘটনার বিবরণ:

৮ ডিসেম্বর ২০২৫ সোমবার, লায়লা ফিরোজ (৪৮) এবং তার মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজ (১৫) হত্যার শিকার হন। হত্যাকাণ্ডের পর আয়েশা পালিয়ে যান। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে আয়েশা বোরকা পরে লিফটে উঠে ৭ তলায় যান। এরপর সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে মুখে মাস্ক, কাঁধে একটি ব্যাগ ও স্কুল ড্রেস পরে ভবন থেকে বেরিয়ে যান।

 

নাফিসা লাওয়াল ছিলেন মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং এই ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। ঘটনার পরপরই পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নানান দিক থেকে তদন্ত শুরু করে এবং শেষ পর্যন্ত আয়েশার অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

 

পুলিশের এ অভিযানটি সফল হওয়ায় এলাকাবাসী এবং নিহত পরিবারের সদস্যরা কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছে। এখনো তদন্ত চলমান রয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের মোটিভ এবং অন্যান্য তথ্য উদ্ঘাটন করার জন্য পুলিশ কাজ করছে।